মালদা

লাভের মুখ না দেখতে পেলেও নিজেদের বংশ পরম্পরাকে টিকিয়ে রাখতে আজও করে চলেছেন কাজ

আলোর উৎসব। হাতে গুনে আর কয়েকটা দিন বাকি তার পর আপামর বাঙালী মেতে উঠবে আলোর উৎসব কালী পূজাতে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বদলে গেছে অনেক কিছু। টুনি বাল্প ও নানা ধরনের আলোক সজ্জার জন্য দিনের পর দিন কমেছে মাটির প্রদীপের গুরুত্ব। ফলে সমস্যায় পড়েছেন মৃৎ শিল্পীরা। কিন্তু বংশ পরম্পরা মেনে বাপ ঠাকুরদার সময় থেকে চলে আসছে মাটির জিনিস তৈরির কাজ। তাই নিজেদের বংশ পরম্পরাকে টিকিয়ে রাখতে। লাভের মুখ না দেখলেও কাজের কামান ধরে রেখেছেন ছেলেরা। 

        পুরাতন মালদা রসিলদাহের পালপাড়ার মৃৎশিল্পীরা জানান, বন্যার কারনে ভালো মাটি পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে মাটি নিয়ে এসেছে ভাটরার বিল থেকে। প্রদীপ তৈরি করার আগে মাটির জন্য অনেক খাটনি হচ্ছে তাদের। 

        বর্তমানে কিছুটা হলেও টুনি বাল্প ও অন্যান্য আলোক সজ্জা ছেড়ে মানুষ কিছুটা হলেও মাটির প্রদীপের দিকে আগ্রহী হচ্ছে। ফলে আগের তুলনায় কিছুটা হলেও বেড়েছে মাটির প্রদীপের চাহিদা। কিন্তু খাটুনি হিসেবে দাম পাওয়া যায় না। লাভের অংশটার বেশিটাই চলে যায় পাইকারদের হাতে। তবু নিজেদের বংশ পরম্পরাকে টিকিয়ে রাখতে কাজ করেই চলেছেন এই মৃৎশিল্পীরা।